বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান।

আসাদুজ্জামান বলেন, বাছিরের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকায়। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে তিনি নব্য জেএমবির সামরিক শাখায় কাজ শুরু করেন। নব্য জেএমবির আমির মাহাদী হাসান ওরফে জনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে তাঁর নির্দেশে কাজ করতে শুরু করেন। নব্য জেএমবির একজন শুরা সদস্য আবু মোহাম্মদের তত্ত্বাবধানেও তিনি কাজ করতে থাকেন। আবু মোহাম্মদ তাঁকে সুবিধাজনক অবস্থানে পুলিশের ওপর হামলা করার জন্য নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তাঁকে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম কেনার জন্য টাকাপয়সা দেন।

সিটিটিসির প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, বাছির প্রথমে রাজধানীর তোপখানা রোডে একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। পরে মাহাদী ও আবু মোহাম্মদ তাঁকে সেই বাসাটি ছেড়ে একা বাসা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি রাজধানীর মান্ডা এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নেন। সেই বাসা থেকে বাছির হামলার জন্য বোমাটি বানান। পরে সুবিধাজনক স্থান হিসেবে গত বছরের ২৪ জুলাই রাতে পুরান পল্টনের পুলিশ চেকপোস্টে বোমাটি রাখেন। তিনি বোমা রাখার একটি নিরাপদ স্থান খুঁজছিলেন, যেখানে কোনো সিসি ক্যামেরা থাকবে না। ঢাকা শহরে যতগুলো এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, সবগুলোর সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পাওয়া গেলেও পল্টনের ঘটনাটির কোনো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন