বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রফিকুল ইসলাম হেলালী মামলার এজাহারে লিখেছেন, তিনি রুসাফা কনস্ট্রাকশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, রিজেন্ট কেসিএসের হেড অফ প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন মাসুদ পারভেজ এবং রিজেন্ট কেসিএসের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাসিরউদ্দীনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় স্থাপনা তৈরির কাজ পেয়েছেন বলে জানান এবং তাঁদের (রফিকুল ইসলাম হেলালী ও তাঁর ব্যবসার অংশীদার মতিউল হক ও জুলফিকার আলী ভুট্টো ) অফিসে যেতে বলেন। আলাপ আলোচনার পর মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম রূপগঞ্জে কাঞ্চন ব্রিজের কাছে স্থাপনার জন্য সিলেটের বালু নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে দাম মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলেন।

ওই বৈঠকের পর রফিকুল ইসলাম হেলালীর প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে চার কোটি ৩০ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেন মো. সাহেদ। পরে ধলেশ্বরীর ব্রিজের কাছে কুর্চিমোরায় স্থাপনার কাজের জন্য আরও দুই কোটি ২০ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেন।

২০১৯ সালের ১১ জুলাই থেকে কয়েক দফায় তাঁরা বিল জমা দেন। সাহেদ তাঁদের ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৩০৩ টাকার চেক দেন। তিনি ৩০ জুলাই এর আগে চেক না ভাঙানোর কথা বলেন। তাঁরা চেক নিয়ে ব্যাংকে গেলেও টাকা পাননি। মো. সাহেদের অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকার কথা জানায় ব্যাংক। এরপর তাঁরা আবারও সাহেদের অফিসে যান। তিনি তাঁদের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে বের করে দেন।

একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন হাফিজউদ্দীন বাহার। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, মো. সাহেদ ও তাঁর সহযোগীরা কাঞ্চন ব্রিজের জন্য সিলেটের বালি নেওয়ার আগ্রহ দেখান ও তাঁকে ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেন। তাঁকেও একটা চেক দিয়েছিলেন, সেই চেকের বিপরীতে তিনিও ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারেননি। টাকা চাইতে গিয়ে হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।

মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সদস্য ছিলেন। গত ৬ জুলাই করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়া ও সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। পরদিন র‌্যাব বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৭ জনকে আসামী করে মামলা করে। ১৫ জুলাই সাহেদকে সাতক্ষীরায় ভারতীয় সীমান্তের কাছ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন