বিজ্ঞাপন

রুমার মা রহিমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর মেয়ে আদমজীর মুনলাইট গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। তাঁর সঙ্গে কাজ করতেন টুম্পা। টুম্পা পাঠানটুলী এলাকায় থাকেন। ১২ মে বেতন পাওয়ার পর রুমা আর বাসায় আসেননি। পরে অনেক খুঁজেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ঈদের আগের দিন রাতে রুমা বাসায় আসে। এ সময় তাঁর মা তাঁকে বেতনের টাকার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, টুম্পার কাছে আছে। এ কথা বলে রুমা পাঠানটুলীতে টুম্পার বাসায় চলে যান। পরে ঈদের দিন বিকেলে টুম্পা তাঁকে ফোন দিয়ে তাঁর মেয়ে রুমার অবস্থা খারাপ বলে জানান। অসুস্থ রুমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রুমার মায়ের দাবি, তাঁর মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি মেয়ে হত্যার বিচার চান।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, রুমার শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রুমার বান্ধবী টুম্পাকে আটক করা হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন