সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে দুটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ সাতজনকে আটক করেছে।
আহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তাঁরা হচ্ছেন সদর থানার পুলিশ কনস্টেবল মিথুন (২৪) এবং যুবলীগ কর্মী দত্তবাড়ি মহল্লার শিপন আহমেদ (২০), জানপুর মহল্লার জহিরুল ইসলাম (২৫) ও শাওন আহমেদ (২২)। আহত ব্যক্তিদের মধ্য মিথুনকে সদর হাসপাতালে ও অন্যদের ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
সদর থানার পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাকিমের সঙ্গে জেলা যুবলীগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইসলামের মারামারি হয়। এতে আবদুল হাকিম আহত হন। বিষয়টি নিয়ে যুবলীগের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ওই রাতেই শহরে সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে গতকাল দুপুরে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ রোড এলাকায় যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩০টি রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করেছে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে দ্বিতীয়বার সংঘর্ষ হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন