বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিকল্পনা বিভাগের সচিব আলী নূর প্রথম আলোকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সিআইডির একটি দল সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে গেছে। কিন্তু ফুটেজ থেকে তারা কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে কি না, জানায়নি। তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল থেকে তারা আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে।

গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিকল্পনা বিভাগের উপসচিব নাদিরা হায়দার শাহবাগ থানায় ১৭টি ফাইল খোয়া যাওয়া নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পুলিশ সূত্র জানায়, খোয়া যাওয়া ফাইলগুলো ছিল স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শাহাদৎ হোসাইনের কক্ষের লাগোয়া কক্ষে। ওই কক্ষে ক্রয় ও সংগ্রহ শাখা-২-এর সাঁটমুদ্রাক্ষরিক ও কম্পিউটার অপারেটর মো. জোসেফ সরদার ও আয়েশা সিদ্দিকা বসেন। ফাইলগুলো এই দুই কর্মীর ক্যাবিনেটে ছিল।

আজ রোববার সকালে সিআইডি ও শাহবাগ থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সিআইডি ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে। তা ছাড়া মন্ত্রণালয়ের ছয়জন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই ছয় কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল।

এদিকে এ ঘটনায় স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিকল্পনা বিভাগ অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্ আলমকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন