চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের নূনাছড়া এলাকায় আজ শনিবার রাতে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছে চারজন।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হাসান একজন নিহত হওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ফয়সাল ইকবাল চৌধুরীর দেওয়া তথ্যমতে, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে একজন মারা গেছে।
পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তির নাম আরিফ। গুলিবিদ্ধ অন্য চারজন হলো মো. পারভেজ, মো. রুবেল, সোহেল ও নূর হাবিব। তাঁদের বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছর। এই চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদিনের দাবি, রাত সাড়ে নয়টার দিকে নূনাছড়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নাশকতার প্রস্তুতির নিচ্ছিল দুর্বৃত্তরা। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পুলিশকে লক্ষ্য ক্রেকার (জাহাজের সিগন্যাল লাইট) ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা শটগানের গুলি ছোড়ে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের আটক করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে সীতাকুণ্ড মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১০টি ককটেল, একটি এলজি, তিনটি গুলি, দুই লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, আজ রাত ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারি ইউনিয়নের মাদামবিবিরহাট এলাকার সোনার গাঁ পেট্রলপাম্পের সামনে ঢাকাগামী একটি চলন্ত ট্রাকে পেট্রলবোমা ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে ট্রাকে আগুন ধরে যায়। আগুনে ট্রাকটির চালক দগ্ধ হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান।
পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও অন্য কথা বলছে। প্রথম আলোকে দেওয়া সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দীনের তথ্যমতে, দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন