পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের মৃগমারী খাল এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে র্যা বের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আলম খান নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। র্যা ব জানিয়েছে, নিহত আলম খান বনদস্যু আলম বাহিনীর প্রধান।
র্যা ব-৮-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফরিদুল আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃগমারী খালে বনদস্যু আলম বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে র্যা বের একটি দল ভোরে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় বনদস্যুরা গুলি ছুড়লে র্যা বও পাল্টা গুলি চালায়। পরে তল্লাশি চালানোর সময় আলম বাহিনীর প্রধান আলম খানের (৪২) মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে যায়।
জেলেদের মাধ্যমে জানা গেছে, নিহত আলমের বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায়। তবে তাঁর পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি র্যা ব। মোরেলগঞ্জ ওসি রাশেদুল আলম বলেন, ‘মোলেলগঞ্জ এলাকায় আলম নামে কোনো বনদস্যু থাকার খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আমরা অনুসন্ধান করছি। থানায় তাঁর নামে কোনো মামলা নেই।’
নিহত ব্যক্তির লাশ গতকাল শুক্রবার দুপুরে মংলা থানায় হস্তান্তর করে র্যা ব। থানার ওসি লুৎফুর রহমান জানান, ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় অস্ত্র আইনে এবং সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে দুটি মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
র্যা ব বলেছে, ‘বন্দুকযুদ্ধ’ শেষে ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি বন্দুক, দুটি শটগান, ৪৬৫টি গুলি, ধারালো অস্ত্র ও বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করেছে তারা। দুই বছর ধরে আলম বাহিনী মৃগমারী, আন্ধারমানিক ও শ্যালা নদীসংলগ্ন এলাকা ও সাগরে ডাকাতি, জেলেদের অপহরণ ও মাছ ধরার ট্রলারে লুটপাট চালিয়ে আসছিল।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন