বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গত রোববার ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত এনসিবিকে সে দেশে গ্রেপ্তার ঢাকার পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানাকে (সাময়িক বরখাস্ত) ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা করছেন, এ ব্যাপারে তাঁরা ইতিবাচক সাড়া পাবেন।

এদিকে বনানী থানার পরিদর্শক শেখ সোহেল রানার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় হওয়া প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি চেয়ে গত রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের কাছে আবেদন করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।

গত আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে ই-অরেঞ্জ নামের একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হওয়ার পর বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানা আলোচনায় আসেন। ওই মামলায় তাঁর বোন সোনিয়া মেহজাবীন ও ভগ্নিপতি মাসুকুর রহমান এখন কারাগারে। তাঁর চতুর্থ স্ত্রী নাজনীন নাহার (বীথি) পলাতক। গত বৃহস্পতিবার ই-অরেঞ্জের আরেক গ্রাহক সোহেল রানার বিরুদ্ধে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করেন। ওই রাতেই সোহেল রানা পালিয়ে যান। গত রোববার সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার শেখ সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম তাঁর (সোহেল রানা) অবৈধ সম্পদের বিষয়ে খোঁজ নিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) আবেদন করেন।

গতকাল এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, সোহেল রানার অপরাধলব্ধ অর্থসম্পদ আছে কি না, সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। তাঁরা সোহেল রানার অর্থসম্পদের বিষয়ে তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজউক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থায় চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখান থেকে তথ্য তাঁদের হাতে এসে এখন পৌঁছায়নি।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন