বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একপর্যায়ে ওড়না খুলে ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে ওই যুবক পালিয়ে যান। প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে ছাত্রীর কাছ থেকে ঘটনা শোনার পর প্রতিবেশীরা মোস্তাফিজুরের বাড়িতে যান। তখন তিনি পাশের পানবরজে আত্মগোপন করেন। সেখান থেকে মোস্তাফিজুরকে ধরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা মাঠে আটকে রাখেন প্রতিবেশীরা।

এরপর থানায় খবর দেওয়া হয়। বেলা ১২টায় ঘটনাস্থলে গিয়ে মোস্তাফিজুরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। দুপুরে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেন।

মোস্তাফিজুরের বাবা আবুবকর সিদ্দিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার ছেলে পানবরজে কাজ করছিল। সেখান থেকে কয়েক নারী তাকে ধরে নিয়ে গেছে। পূর্বশত্রুতার জেরে আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে।’

তাহেরপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আবদুর রাজ্জাক বলেন, লোকজনের হাতে আটক হওয়ার পর মোস্তাফিজুরকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন