বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল জলিল পেশায় মুড়ি ও চানাচুর বিক্রেতা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি থাকেন নোয়াখালীতে। তাঁর স্ত্রী এক ছেলেকে নিয়ে চট্টগ্রাম নগরে ভাড়া বাসায় থাকেন। জলিলের স্ত্রী যে বাসায় ভাড়া থাকেন তাঁর পাশের এক বাসায় থাকেন পোশাক কারখানার সিকিউরিটি সুপারভাইজার আবু তাহের।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত বুধবার আবদুল জলিল স্ত্রীর বাসায় যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান তাঁর স্ত্রী। তাঁরা কোথায় আছে তা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ জানায়নি। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয় জলিলের। পরদিন আরও কয়েকজনকে নিয়ে আবু তাহেরকে বাসা থেকে ডেকে বের করেন তিনি। জলিলের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে আবু তাহের লুকিয়ে রেখেছেন। তাহের কিছু জানেন না বললে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, তাহেরকে কিলঘুষি মারতে থাকেন জলিল ও তাঁর সহযোগীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে মারা যান তাহের। এ ঘটনায় তাঁর মেয়ে রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী থেকে আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন