পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী জামিল আহমেদ খুনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী মৌসুমী আক্তার এবং স্ত্রীর ভগ্নিপতি মো. জুয়েল জড়িত বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে পুলিশ এখনো জুয়েলকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
গত সোমবার রাতে পুরান ঢাকার ওয়াটার ওয়ার্কস রোডের একটি বাসা থেকে জামিলের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ওই রাতেই মৌসুমীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মৌসুমীর তথ্য অনুযায়ী জামিলের দুই ব্যবসায়িক বন্ধু আল-আমিন ও আসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত মঙ্গলবার চকবাজার থানা-পুলিশ জানায়, আল-আমিনের সঙ্গে মৌসুমীর সম্পর্ক ছিল। জামিল বিষয়টি জেনে যায় বলে তাঁকে হত্যা করা হয়। গত বুধবার মৌসুমীকে পাঁচ দিনের এবং গ্রেপ্তার অন্য দুজনকে দুই দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রিমান্ডে মৌসুমী পুলিশকে জানান, তিনি ও তাঁর ভগ্নিপতি জুয়েল একসঙ্গে বসে জামিলকে খুন করার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত রোববার রাতে তিনি জামিলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন। পরে জুয়েলসহ অজ্ঞাত আরও একজন মিলে জামিলকে গলা কেটে ও বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন