বিজ্ঞাপন

কীভাবে তাঁদের খুন করা হয়েছে, সে ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তা মুক্তা ধর বলেন, ১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুমাইয়ার সঙ্গে শাহীনের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সুমাইয়া ঘর থেকে বের হলে শাহীনও ঘর থেকে বের হন। একপর্যায়ে নাইলনের দড়ি সুমাইয়ার গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ সেখানে রেখে আসেন। এরপর শাহীন ঘর থেকে কোদাল নিয়ে সেখানে গর্ত করে লাশটি পুঁতে রাখেন। সেখান থেকে ঘরে ফিরে মেয়েকে কান্না করতে দেখে কোলে তুলে নেন শাহীন। পরে তাকেও হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তারের বাবার বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি একই গ্রামে। ১ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবার বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান সুমাইয়া। মেয়েকে শাহীন মুন্সি যেতে না দেওয়ায় একাই যেতে হয় সুমাইয়াকে। দাওয়াত খেয়ে স্বামীর বাড়ি ফেরেন তিনি। এরপর থেকে সুমাইয়া আক্তার, তাঁর মেয়ে সামিরা ও স্বামী শাহীন মুন্সি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দুদিন পর শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মা ও মেয়ের লাশ বাড়ির পাশেই পরিত্যক্ত জমিতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তখন শাহীন মুন্সির কোনো হদিস মেলেনি।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন