বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে নগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন মাহমুদা খানম। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পিবিআই গত বছরের ১২ মে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৪ অক্টোবর আদালতে নারাজি আবেদন করেন বাবুলের আইনজীবী। আবেদনে বলা হয়, বাবুলকে আসামি করতে বানোয়াট চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে। অথচ সেই মামলায় পুলিশ ৫১ জনের বেশি সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়েছে ১৬১ ধারায়। সেখানে একজনও বাবুলের সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। দুই সাক্ষীর জবানবন্দির ভিত্তিতে বাবুলকে আসামি করা হয়েছে। কাদের বাঁচানোর জন্য এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন, সেটা দেখতে হবে। বাবুল আক্তার মহলবিশেষের ষড়যন্ত্রের শিকার। এর আগে তিনি সোনা চোরাকারবারি ও কালোবাজারিদের ধরেছেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করেছেন। গত ৩ নভেম্বর আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

শ্বশুরের করা মামলায় বাবুল আক্তার এখন ফেনী কারাগারে। মাহমুদার বাবা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে গত বছরের ১২ মে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে। সব শেষ এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা নামের এক আসামি বাবুলকে তাঁর স্ত্রীকে খুনের নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করে ২৩ অক্টোবর আদালতে জবানবন্দি দেন।
এদিকে আজ দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বাবুলকে আদালতে হাজির করা হয়। শেষে তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন