বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাপস কুমার পাল বলেন, এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সবাই আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির দিন ঠিক করেছেন আদালত। আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষ হলে যুক্তিতর্ক শুনানি গ্রহণ করবেন আদালত।

গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, জাল টাকাসহ র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন মালেক। তাঁর বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। অস্ত্র মামলায় মালেকের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারিতে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ১১ মার্চ অভিযোগ গঠন করেন। পরবর্তী সময়ে করোনার ঊর্ধ্বগতিতে আদালতের স্বাভাবিক বিচারকাজ বন্ধ ছিল। সম্প্রতি আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়। এ মামলায় যে সাতজন সাক্ষ্য দেন, তাঁরা হলেন র‍্যাব-১ ডিএডি আলমগীর হোসেন, উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন, এসআই সাজেদুল ইসলাম, আনিসুর রহমান, করপোরাল শফিকুল ইসলাম, মোতালেব হোসেন ও শহিদুল ইসলাম।

আবদুল মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের গাড়িচালক ছিলেন। অষ্টম শ্রেণি পাস আবদুল মালেক ১৯৮২ সালে গাড়িচালক হিসেবে যোগ দেন। বছর চারেক পর অধিদপ্তরের পরিবহন পুলে যোগ দেন। গ্রেপ্তারের আগপর্যন্ত তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মালেককে গ্রেপ্তারের পর র‍্যাব জানায়, আবদুল মালেকের স্ত্রী দুজন। প্রথম স্ত্রী নার্গিস আক্তারের নামে তুরাগ এলাকার দক্ষিণ বামনারপাড়া রমজান মার্কেটের উত্তর পাশে ছয় কাঠা জায়গার ওপর সাততলার দুটি আবাসিক ভবন আছে। এতে ফ্ল্যাট আছে ২৪টি। ওই ভবনের সামনে আছে ১০ থেকে ১২ কাঠার আরেকটি প্লট। ভবনের তৃতীয় তলায় তিনি সপরিবার থাকেন। বাকি ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া দেওয়া। বড় মেয়ে বেবির নামে দক্ষিণ কামারপাড়ায় ১৫ কাঠা জায়গার ওপর ইমন ডেইরি ফার্ম নামের গরুর খামার আছে। এর বাইরে হাতিরপুলে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সাড়ে চার কাঠা জায়গার ওপর ১০তলা ভবন নির্মাণাধীন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন