নোয়াখালীর একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক রোগীকে (২২) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। এতে জড়িত অভিযোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একজন উপসহকারী কর্মকর্তাকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গতকাল শুক্রবার ওই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, রোগীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি রোববার (আগামীকাল) প্রতিবেদন পেশ করবে। ঘটনাটি সিভিল সার্জনকে অবহিত করা হয়েছে।

ওই রোগীর স্বজন ও পুলিশের ভাষ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে অসুস্থ ওই গৃহবধূ দুই আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে যান। এ সময় কর্তব্যরত উপসহকারী কর্মকর্তা তাঁকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং তাঁর স্বজনদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে বলেন। স্বজনেরা বাইরে যাওয়ার পর তিনি শারীরিক পরীক্ষার নামে ওই নারীর শ্লীলতাহানির ও একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে রোগীর স্বজনেরা চলে আসেন এবং তাঁর চিৎকারে ওই কক্ষে ছুটে যান। তখন তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে ধরে পিটুনি দিয়ে আটকে রাখেন স্বজনেরা। পরে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

সিভিল সার্জন বিধান চন্দ্র সেনগুপ্ত প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে তাঁরা বিব্রত। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন