default-image

গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া, গোলাপশাহ মাজার, মুগদা বাসস্ট্যান্ডসহ যেখানে জনসমাগম আছে সেখান থেকে মুঠোফোন চুরি করত চোরেরা। এসব চোরাই মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে আরেকটি পক্ষ বিক্রি করত। সম্প্রতি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এ রকম ১৪ জন মোবাইল চোর ধরেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দিয়েছে সিআইডি।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বলছে, তাদের হাতে আটক ১৪ জনের ওই দলের তিনজন ছিঁচকে চোর। বাকিরা চোরাই মোবাইলের ক্রেতা।

সিআইডির দাবি, বিলাসবহুল বিপণিবিতানের মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সঙ্গে এ চক্রের যোগসাজশ আছে। তবে তারা কোনো বিক্রেতার তথ্য দেয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত সিআইডির উপমহাপরিদর্শক শেখ ওমর ফারুক বলেন, গোলাপশাহ মাজারের আশপাশে ৬–৭ জন মোবাইল চোরের একটি চক্রের খবর ছিল তাঁদের কাছে। তাঁদের তিনজনকে বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের কাছ থেকে বাকি ১১ জনের খোঁজ পায় পুলিশ। আসামিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে চার থেকে আটটি পর্যন্ত মামলা আছে। প্রতিবারই এরা জামিনে ছাড়া পেয়ে বেরিয়ে এসেছেন।

বিজ্ঞাপন

শেখ ওমর ফারুক আরও বলেন, ‘সিআইডির ধারণা, এসব চোরাই মোবাইল তারা বড় বড় মার্কেটে বিক্রি করে। সিআইডি এ নিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। চোরাই মোবাইল ক্রেতাদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। তাই কম দামে চোরাই মোবাইল কিনবেন না।’

সিআইডি জানিয়েছে, আটক ১৪ জনের কাছ থেকে স্যামসাং, অপো, হুয়াওয়ে, নোকিয়া, আইফোনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮৩টি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ ওমর ফারুক বলেন, ‘একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করত এই চক্র। নম্বর পরিবর্তন করলে ফোন কোথায় আছে খুঁজে পাওয়া যায় না। গ্রেপ্তার ১৪ জনের তিনজন প্রান্তিক পর্যায়ের চোর। এদের বাইরে বড় বড় মার্কেটের মোবাইল বিক্রেতারা থাকতে পারেন।’

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন