ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সড়কের দূরত্ব ৩৩ কিলোমিটার। এটুকু সড়কে রয়েছে ৫০টি গতিরোধক। তবে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বলছে, গতিরোধকগুলো অবৈধ। স্থানীয় লোকজন জোর করে এগুলো নির্মাণ করেছেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, এলজিইডির আওতাধীন এই সড়কে কসবার আকছিনা, নোয়াগাঁও, পানিয়ারূপ, কামালপুর, মইনপুর, বায়েক এলাকার ১০ কিলোমিটার রাস্তায় নয়টি গতিরোধক; কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বাগড়া বাজার থেকে শশীদল বাজার পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটারে ১১টি ও শশীদল থেকে কুমিল্লার গোমতীর বাঁধ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটারে ৩০টি গতিরোধক রয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক কামাল মিয়া বলেন, অল্প রাস্তায় এত গতিরোধক থাকায় রোগী নিয়ে আসতে সময় বেশি লাগে। রোগীকে অনেক ঝাঁকুনি খেতে হয়। এতে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।
সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক খোকন মিয়া বলেন, বেশি গতিরোধক থাকায় অটোরিকশায় বেশি ঝাঁকুনি লাগছে। এতে তাড়াতাড়ি অটোরিকশা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একটি ব্যক্তিগত গাড়ির চালক খোরশেদ মিয়া বলেন, গতিরোধগুলো এত উঁচু যে গাড়ির বাম্পার লেগে যায়।
কসবা টি আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এত গতিরোধক থাকায় গাড়ি নিয়ে আসতে ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
কসবা উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল বাছির বলেন, রাস্তা নির্মাণের পর স্থানীয় লোকজন ওই গতিরোধকগুলো নির্মাণ করেছেন। এগুলো সব অবৈধ। বিষয়টি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0