বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এপিপি ওবায়দুল হক বলেন, বিস্ফোরক আইনের মামলায় দণ্ডিত আসামিরা বিএনপির নেতা–কর্মী। তাঁদের কাছ থেকে ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় এই মামলা হয়।

দণ্ডিত ১০ আসামির মধ্যে সাতজন কারাগারে আছেন। তাঁরা হলেন ভাষানটেকের আবদুর রহমান (৫৫), সুমন চন্দ্র (২২) , আমিনুল ইসলাম (২১), সোহেল (২৫), কাউসার (২২), জুয়েল (২০) ও লিটন (৪০)। পলাতক রয়েছেন তিন আসামি। তাঁরা হলেন জসিম (২০), শহিদ (৩৫) ও মহসিন (২৭)। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর বিএনপির স্থানীয় নেতা–কর্মীরা ব্যানারসহ দলের কর্মসূচিতে অংশ নিতে ১৪ নম্বর মোড়ে সমবেত হন। তখন পুলিশ আসামি আবদুর রহমানের কাছ থেকে তাঁতী দলের একটা ব্যানার জব্দ করে। আর মামলার আসামি সুমন চন্দ্রের কাছ থেকে একটি ককটেল জব্দ করে পুলিশ। এ ছাড়া আসামি জসিম, আমিনুল, জুয়েল ও কাউসারের কাছ থেকে মোট ছয়টি ককটেল উদ্ধার হয় বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়।

ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় কাফরুল থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর মামলা করেন। ওই মামলা তদন্ত শেষে পরের বছর ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ বিএনপির ২৪ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। আর আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

দণ্ডিত আবদুর রহমানের ছেলে মো. মাসুম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বাবা রাজনীতি করেন না। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। এই রায়ের বিরুদ্ধে বাবা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।’ আসামি পক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক মামলা। যাঁরা দণ্ডিত হয়েছেন, তাঁরা কেউ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন