‘ছাত্রদলের রাজনীতি করি। ট্রাক-বাসে আগুন দেওয়ার কথা চিন্তাও করতাম না। কিন্তু আমাকে বাস পোড়ানোর মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ কারণে অনেক দিন ধরে ঘরছাড়া। অপরাধ না করেও আসামি হওয়ায় বাস পোড়ানোর অপরাধ করার জেদ চাপে। জেদ থেকেই ভৈরবে এসে পেট্রল ঢেলে বাসে আগুন ধরিয়ে দেই।’
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাসে আগুন দেওয়ার দায় স্বীকার করে একই জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি সজল হোসেন ওরফে সুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় এ জবানবন্দি দেন। কিশোরগঞ্জ ২ নম্বর আমলি আদালতের মুখ্য বিচারিক হাকিম হামিদুল ইসলাম গত শনিবার সন্ধ্যায় সজলের বক্তব্য রেকর্ড করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানান।
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের স্টেডিয়াম এলাকায় একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুন দিয়ে পালানোর অভিযোগে স্থানীয় জনতা সজল ও মনির হোসেন নামের দুই তরুণকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয়। মনির একই ইউনিয়নের যুবদলের কর্মী। এ ঘটনায় শুক্রবার ভৈরব থানার পুলিশ ৪১ জনের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলা করে।
এসআই হুমায়ুন জানান, মনিরও আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং সজলের দেওয়া জবানবন্দির প্রতি সমর্থন দেন।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন