বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামে গত শুক্রবার রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মোজাম্মেল হোসেন হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তিকে ডাকাত দলের প্রধান বলে দাবি করেছে পুলিশ। ওই সময় আটক ছয় ব্যক্তি ডাকাত দলের সদস্য বলে অভিযোগ পুলিশের।
নিহত মোজাম্মেলের (৪২) বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার তিতকাটা গ্রামে। আটক ব্যক্তিরা হলেন জহিরুল ইসলাম, আনছার উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, মো. মাসুম, আবু হানিফ ও বাচ্চু মিয়া। তাঁদের বাড়ি আমতলীর বিভিন্ন গ্রামে।
আমতলী থানার ওসি সুকুমার রায়ের ভাষ্য, শুক্রবার রাত দুইটার দিকে গুলিশাখালী গ্রামের আমজাদ পেয়াদার বাড়ির পরিত্যক্ত একটি ঘরে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খবর পেয়ে আমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে যায়। ডাকাত সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় দুই ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে মোজাম্মেল গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সেখান থেকে মোজাম্মেলের ছয়জন সহযোগীকে আটক করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল, সাতটি গুলি ও বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি দাবি করেন, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের চার সদস্য আহত হন। মোজাম্মেলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি সুকুমারের দাবি, মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও নারী নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ১২টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া একটি মামলার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি তিনি। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
মোজাম্মেলের স্ত্রী শিউলী বেগম জানান, মোজাম্মেল ভাঙারির ব্যবসা করতেন। শুক্রবার দুপুরের খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। রাতে ফেরেননি।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন