পাওনা টাকা চাওয়ায় হল ক্যানটিনের ব্যবস্থাপককে মারধর করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক বহিষ্কৃত নেতা। আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মেহেদী হাসান ২০১৪ সালের ১৩ মে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি পদ থেকে বহিষ্কৃত হন। ওই দিন তিনি ‘অসুস্থ’ থাকায় তাঁর বিভাগ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মাস্টার্সের পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল ছাত্রলীগের ১০-১৫ নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় মেহেদী হাসানসহ চারজনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

নিরাপত্তার আশঙ্কায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গবন্ধু হলের একাধিক আবাসিক শিক্ষার্থী জানান, আজ সন্ধ্যায় মেহেদী হাসান ও তাঁর কয়েকজন অনুসারী ক্যানটিনে খেতে যান। এ সময় ক্যানটিন ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাকি টাকা চাইলে মেহেদী হাসান ‌ক্ষিপ্ত হয়ে চিৎকার করতে থাকেন। একপর্যায়ে মেহেদী শফিকুলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান নিজ কক্ষে নিয়ে বিষয়টি সমঝোতা করে দেন।

যোগাযোগ করা হলে ক্যানটিনের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম তাঁকে মারধরের ঘটনা সত্য বলে জানান। তিনি বলেন, ‘রানা ভাই (ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান) ডেকে পাওনা ১০ হাজার টাকা দিয়ে মীমাংসা করে দিয়েছেন।’
অভিযুক্ত মেহেদী হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরনেনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান দাবি করেন, ‘মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল। সমাধান করে দিয়েছি।’ হল প্রাধ্যক্ষ এস এম জাহিদ হোসেন বলেন, বিষয়টি জানা ছিল না। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন