বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গোয়ালন্দ ব্লাড ডোনার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান বলেন, ‘কেউ লাশের দায়িত্ব না নেওয়ায় আমরা লাশটি দাফনের উদ্যোগ নিই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছে বুঝিয়ে দিলে তাঁকে রাতেই গোসল করানো ও দাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। আমাদের এই কাজে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সী সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন।’

হাসপাতাল সূত্র জানা গেছে, গত ৩১ আগস্ট দুপুরে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল হোসেন প্রামানিক ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আবুল হোসেন বলেন, তাঁর বাড়ির কাছে স্থানীয় আঞ্জুমান কাদরিয়া মসজিদের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ওই ব্যক্তি। এর আগে ওই এলাকায় একাধিকবার ওই ব্যক্তিকে মানসিক ভারসাম্যহীনভাবে চলাফেরা করতে দেখেছেন লোকজন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা চন্দন কুমার ঘোষ বলেন, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় থাকায় তাঁর কী ধরনের শারীরিক সমস্যা ছিল, তা জানা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক যেসব চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন, তা দেওয়া হয়েছিল।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নিতাই কুমার ঘোষ জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানাকে জানানো হয়েছে। তাঁদের পরামর্শে মৃত ব্যক্তির আঙুলের ছাপ নেওয়াসহ আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন