নিহত ব্যক্তির নাম হোসেন আহমদ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৭ আগস্ট পুলিশ সদর উপজেলার বাউরঘরিয়ার সুলতান দীঘি থেকে হোসেনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। এর আগে ২৪ আগস্ট থেকে তিনি অটোরিকশাসহ নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায়। তিনি মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায় সপরিবার ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং অটোরিকশা চালাতেন। তাঁর অটোরিকশার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশাটি ছিনতাই করতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জালাল আহমদ, জেলা অটোটেম্পো–সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম প্রমুখ।

এদিকে মানববন্ধন চলাকালে একপর্যায়ে কোর্ট রোড দিয়ে যানবাহন চলাচল নিয়ে পুলিশ ও পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে কিছুটা বাগ্‌বিতণ্ডা ও হট্টগোল হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিক তিনটি টমটম ভাঙচুর করেন। উত্তেজনার খবর পেয়ে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে হত্যাকারীকে দ্রুত খুঁজে বের করার আশ্বাস দেন। এরপর সমাবেশ সংক্ষিপ্ত করে শ্রমিকেরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইয়াছিনুল হক বলেন, লাশ উদ্ধারের পর মামলা হয়েছে। এখনো কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সে রকম সুনির্দিষ্ট তথ্য মেলেনি। কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে তাঁরা চেষ্টা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন