বিজ্ঞাপন
default-image

হৃদয় অটো রাইস মিলের গুদামঘরে ৬৫০ মেট্রিক টন ধান মজুত পেয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রায় তিন মাস আগে হৃদয় অটো রাইস মিল, আশরাফ অটো রাইস মিল এবং ইস্পাহানি অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারীরা যৌথভাবে এই ধান ক্রয় করে হৃদয় অটোমিলের গুদামঘরে মজুত করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত হৃদয় অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী শাহীনুর ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ব্লু-বেল অটোমেটিক রাইস মিলটির কয়েকটি গুদামে ২ হাজার ৭০০মেট্রিক টন ধান মজুত পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে মিলের স্বত্বাধিকারী বিরাজ কুমার খাজানজিকে পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া চার দিনের মধ্যে মজুত করা ধান বাজারে বিক্রি কিংবা চাল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাগফুরুল হাসান আব্বাসী বলেন, গত মঙ্গলবার সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালের দাম নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু মিলমালিক অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় ধান মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন। ধান-চাল মজুতের নির্দিষ্ট পরিমাণ ও সময়সীমা মানছেন না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুটি মিলে অভিযান চালিয়ে মালিকদের জরিমানা করা হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার থেকে চালের দোকানগুলোতেও এই অভিযান পরিচালিত হবে।

এ বিষয়ে দিনাজপুর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক আশ্রাফুজ্জামান বলেন, সরকার ইতিমধ্যে সরু চাল ও মোটা চালের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেই দামের চেয়ে বেশি দামে চাল বিক্রি কিংবা অধিক মজুত করা হচ্ছে এমন খবর পেলেই প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন