মায়া বেগম বলেন, ‘মেয়েটাকে ঘটনার দিন নিজ হাতে খাইয়ে দিয়েছি। কী হাসিখুশি ছিল ও! বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে মাদ্রাসার পরিচালক জামাল উদ্দিন আমাকে জানায় যে মরিয়ম অসুস্থ।’

অধ্যক্ষ ইউনুস মিয়া মুফতি জামাল উদ্দিনের ছোটবোনের জামাই। মায়া বেগম আরও বলেন, ‘বেলা তিনটার পর আমাদের না জানিয়ে মরিয়মকে হাসপাতালে নিয়ে যান মুফতি জামাল ও অধ্যক্ষ ইউনুস মিয়া। পরে হাসপাতালে এসে জানতে পারি, মরিয়ম মারা গেছে। আমার মেয়েকে ইউনুস ও তাঁর স্ত্রী হত্যা করেছে। আমি তাঁদের বিচার চাই।’

মায়া বেগম আরও বলেন, ‘ইউনুস ও সোনিয়া আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আর ঘটনা ধামাচাপা দিতে সহযোগিতা করেছেন জামাল উদ্দিনের স্ত্রী হাবিবা আক্তার। তাই তাঁকে আসামি করা হয়েছে। জামাল উদ্দিন যে এ হত্যার সঙ্গে জড়িত, তা পরে জানতে পেরেছি। তাই তাঁকেও আসামি করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুফতি জামাল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে মাদ্রাসাছাত্রী মরিয়মকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোহাম্মদ তোফাজ্জাল হোসেন। তিনি বলেন, পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়।

মরিয়ম আক্তারের গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুজ্জামান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মামলা হওয়ার পর প্রধান আসামি ইউনুস মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন