বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট সভায় করা পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক শহিদুল আলমকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এস এম এক্রাম উল্ল্যাহ, ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মামুনুর রশীদ তালুকদার, অধ্যাপক আবু বক্কর ইসমাইল এবং আইন বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য সাদিকুল ইসলাম।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক শহিদুল আলমকে ফোন করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কমিটির সদস্য সাদিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক শাহেদ পারভেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনাপত্তিপত্র না নিয়েই বিদেশে চলে গেছেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি কীভাবে অনাপত্তি না নিয়ে বিদেশ গেলেন, এ বিষয়ে আবেদন করেছিলেন কি না, আবেদন করলে সেখানে কোনো ফাঁক ছিল কি না, সেসব বিষয়ে কমিটি তদন্ত করবে।

তিনি আরও বলেন, এর আগে শিক্ষা পরিষদ সভায় গঠিত কমিটি একাডেমিক অনিয়মের বিষয়টি দেখে প্রতিবেদন দেবে। আর তারা প্রশাসনিক অনিয়মগুলো তদন্ত করবে। বিষয়টি তদন্তে কমিটিকে কোনো সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আইবিএ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রভাষক এ টি এম শাহেদ পারভেজ ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের চতুর্থ ও পঞ্চম ব্যাচের ২০৬ ও ১০১ কোর্সের ইনকোর্স খাতা মূল্যায়ন করেননি। ফলে ওই দুটি কোর্সের ফল প্রকাশ আটকে আছে। দ্বিতীয় ব্যাচের চূড়ান্ত পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ৩০ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ দিন অনুষ্ঠিতব্য ৪০৯ নম্বর কোর্সের প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এমন অবস্থায় গত ২৪ অক্টোবর ইনস্টিটিউট থেকে শাহেদ পারভেজের রাজশাহীর ঠিকানায় একটি চিঠি দেওয়া হয়। পরে তাঁর স্থায়ী ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়, কিন্তু চিঠি কেউ গ্রহণ করেননি।

এ বিষয়ে অভিযোগ শিক্ষক শাহেদ পারভেজ দেশের বাইরে থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক জিন্নাত আরা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল দ্রুত দেওয়া হবে। আটকে থাকা পরীক্ষাও শিগগিরই নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আর কোনো জটিলতা হবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন