বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবদুল মান্নান তিনটি পদে তিন প্রার্থী কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা নিয়েছেন। তিন প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে তড়িঘড়ি নিয়োগ বোর্ড গঠন করে নিয়োগ সম্পন্ন করতে চাইছিলেন প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। এ ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদনকারী মো. আল আমিন, মো. বেল্লাল তালুকদার ও কাওসার মিয়াকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। শনিবার বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের কাছে ঘুষ–বাণিজ্য ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এনে ওই তিন প্রার্থী অভিযোগ দেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বরগুনা জেলা প্রশাসক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শত্রুতাবশত এই অভিযোগ করা হয়েছে।

বরগুনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, অভিযোগের বিষয়ে বরগুনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন