বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুরের শিবচরে চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে ইউপি নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের কাছ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ বিভিন্ন অজুহাত ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপেক্ষিতে উপজেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ৯ ডিসেম্বর মাদারীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত একটি সুপারিশপত্র ঢাকা নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ে পাঠানো হয়। পরে ১৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদকে পরিবর্তন করে নতুন রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ওই দিনই জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রিটার্নিং কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদের স্থানে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম নিয়োগ দেন।

জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদের বিরুদ্ধে উমেদপুর ইউনিয়নের এক প্রার্থী লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। পরে আমরাও তাঁর বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগ পাই। এরপরই নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে জন্য নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে আমরা একটি সুপারিশপত্র পাঠাই। এরপর কমিশন থেকে তাঁর পরিবর্তনের কথা জানালে আমরা চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত শিবচরে তিনটি ইউপিতে নতুন করে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিই।’

এ সম্পর্কে হারুন-অর-রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রার্থীরা তাঁদের ইচ্ছেমতো কিছু না হলেই অভিযোগ দেন, তাঁদের অভিযোগ সত্য নয়। তাঁরা আমার কাছ থেকে কোনো অনৈতিক সুযোগ–সুবিধা না পাওয়ায় হয়তো অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমিও জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তাঁরা কোনো প্রমাণ ছাড়াই আমাকে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।’
চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর শিবচরের তিনটি ইউনিয়নে ও পঞ্চম ধাপে ৫ জানুয়ারি উপজেলার দুটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন