বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাত কাউন্সিলরের পক্ষে আইনজীবী আজাদ রহমান ওই নোটিশে পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, নোটিশদাতা সাত কাউন্সিলরের সিটি করপোরেশন থেকে মাসিক সম্মানী ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা পাচ্ছেন। কিন্তু অন্য কাউন্সিলরদের ৫০ হাজার টাকা করেই মাসিক সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া হোল্ডিং ট্যাক্স এক হাজার শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ কারণে নোটিশদাতাদের জনগণের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, সিটি করপোরেশনের স্থায়ী বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বেআইনিভাবে ওএসডি করে রেখে মাস্টাররোলে অদক্ষ জনবল নিয়োগ দিয়ে সিটি করপোরেশন পরিচালনা করা হচ্ছে। মাস্টাররোলের কর্মচারীদের কোনো আইনি দায়বদ্ধতা না থাকায় তাঁদের কারণে জনগণের ক্ষতি হতে পারে।

নোটিশে বলা হয়, সরকারি আদেশ–নির্দেশ অনুযায়ী সিটি করপোরেশন পরিচালনার নিয়ম থাকলেও তা মেয়রসহ নোটিশ পাওয়া তিনজন খামখেয়ালি করে কাজ চালাচ্ছেন। এতে করপোরেশনে স্থবিরতা ও জন–অসন্তোষ বাড়ছে। একইভাবে হাটবাজার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় না দিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ইজারা দেওয়া হয়েছে বেআইনিভাবে। ফলে ইজারাদারদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ জনগণ।

আইনজীবী আজাদ রহমান নোটিশ পাঠানোর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নোটিশগ্রহীতাদের নোটিশ গ্রহণের ১৫ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনগত নোটিশের বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সিইও সৈয়দ ফারুক হোসেন বলেন, ‘নোটিশের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারলাম। নোটিশ পেলে বলতে পারব, কী বিষয়ে নোটিশ করা হয়েছে। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন