এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে একই আদালতে আসামিদের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। সেদিনও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে বিচারক শিশির কুমার বসু তাঁদের জামিন আবেদন নাকচ করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, পলাশ নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের এএসপি ও তাঁর সঙ্গীরা অপরাধী ধরতে আসেন। সে ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রক্রিয়া মেনে তিনি আসামি ধরতে এসেছেন কি না, সেটা বিভাগীয় তদন্তের দাবি রাখে। দণ্ডবিধির ৩৮৫ ও ৩৬৫ ধারায় যে শাস্তির বিধান আছে, মামলার এজাহারের বর্ণনা বিশ্লেষণ করলে আসামিরা জামিন পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু জামিন–অযোগ্য অপরাধ না হওয়া সত্ত্বেও আদালত জামিন দেননি। এতে তাঁরা সংক্ষুব্ধ হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করার কথাও জানান তিনি।

এই মামলায় সিআইডির তিন সদস্য, গাড়িচালক ও সিআইডির কাছে অভিযোগকারী ফসিহ উল আলম পলাশ ছাড়াও আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের মৃত এন্তাজুল হকের ছেলে আরেফিন শাহ (৪০), সদর উপজেলার উপশহর এলাকার খেড়পট্টি গ্রামের মো. সোহেল (৩২), চৌরঙ্গী বাজার সুইহারি এলাকার মো. রিয়াদ (৩৫), ২ নম্বর উপশহর এলাকার মো. সুমন (৪০) এবং একই এলাকার মো. জাহিদ (৩৭)। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অন্য আসামিরা।

গত সোমবার (২৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টায় সিআইডির তিন সদস্য চিরিরবন্দর উপজেলার নান্দেরাই গ্রামের লুৎফর রহমানকে ধরতে যান। লুৎফরকে না পেয়ে বাড়ির আসবাব তছনছ করে তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে বাড়ি থেকে তুলে নেন। পরে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। লুৎফর রহমানের স্বজনেরা মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দিনাজপুরের দশমাইল এলাকায় অপহরণকারীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্থানীয় জনতা তাঁদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন