default-image

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে লাশের সঙ্গে সংসর্গের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হাতে গ্রেপ্তার মুন্না ভক্তের পরিবার অপরাধ করলে তাঁর উপযুক্ত শাস্তি চায়। তবে তাদের বিশ্বাস, মুন্না ষড়যন্ত্রের শিকার।

আজ শনিবার সকালে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভা বাজার রেলস্টেশন–সংলগ্ন সুইপার কলোনিতে মুন্না ভক্তের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির বাইরের গেটে তালা দেওয়া ছিল। দুপুরে আবার গিয়ে বাড়ির সামনে রাস্তায় মুন্নার বাবা দুলাল ভক্তকে পাওয়া যায়।

দুলাল ভক্তের ভাষ্য, গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেছিলেন মুন্না। তিন বছর আগে মুন্না পড়াশোনা বাদ দেন। স্থানীয় মাদকাসক্ত ও বখাটে ছেলেদের সঙ্গে মিশে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম হিসেবে কাজ করা মুন্নার বড় মামা যতন কুমারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আড়াই বছর আগে মুন্না ঢাকায় চলে যান। মামার কাছে থেকে ডোমের কাজ শিখতেন। ছেলের গ্রেপ্তারের খবর তিনি যতন কুমারের কাছে পান।

বিজ্ঞাপন

মুন্নার বাবা বলেন, মুন্না এমন কাজ করতে পারেন, সেটা তাঁদের বিশ্বাস হচ্ছে না। তারপরও মুন্না যদি এমন অপরাধ করে থাকেন এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে উপযুক্ত শাস্তি চান। তবে তাঁরা মনে করছেন, মুন্নাকে কেউ ষড়যন্ত্র করে পুলিশে ধরিয়ে দিতে পারে। বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেন তিনি।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবী বলেন, মুন্না ভক্তের নামে থানায় কোনো অভিযোগ নেই। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে মুন্নার বিষয়টি তিনি জানতে পারেন।
গত বৃহস্পতিবার সিআইডি মুন্না ভক্তকে গ্রেপ্তার করে।

মন্তব্য পড়ুন 0