বিজ্ঞাপন

নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ সদস্যরা যেখানেই অন্যায় করেছেন, যাঁরাই শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন, তাঁদের আইনের মুখোমুখি করা হয়েছে এবং তাঁরা শাস্তিরও মুখোমুখি হয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে যা যা প্রয়োজন, তা করতে প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। খুব শিগগরি পুলিশ বাহিনীতে বৃহৎ আকারে হেলিকপ্টার যুক্ত করা হবে। এই করোনার সময় বাংলাদেশের সব হাসপাতালের অবস্থা নাজুক হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখন পুলিশ হাসপাতাল সেবা দিয়ে তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। পুলিশ হাসপাতাল মানুষের কাছে আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে। পুলিশের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও আমরা সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের নতুন নতুন ইউনিট, যেমন পিবিআই খুব ভালো কাজ করছে। পুলিশ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশের আরও জনবল, দক্ষতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি জন্য যা যা প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রী সেগুলো করে যাচ্ছেন।’

এ সময় সাংসদ ছানোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম খান, আতাউর রহমান খান, তানভীর হাসান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পৌর মেয়র জামিলুর রহমান, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান আহমেদ শুভ, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন