default-image

অপরিকল্পিত শিল্পায়নের কারণে হবিগঞ্জের পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। কৃষিজমিতে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় এমন অবস্থা হয়েছে। তাই নতুন প্রজন্মকে ভালো রাখতে অবশ্যই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাজ করতে হবে। সোমবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের নদী দখল-দূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার সভাটির আয়োজন করে।

বক্তারা আরও বলেন, ২০১৯ সালে পুরাতন খোয়াই নদের অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। খোয়াই নদ ও পুরাতন খোয়াই নদের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প থেকে পুরাতন খোয়াই নদের উন্নয়নের বরাদ্দ বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদ হাসান। তিনি বলেন, অপরিকল্পিত শিল্পায়নের কারণে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। হবিগঞ্জে কৃষিজমিতে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় এখানকার পরিবেশ এই বিপর্যয়ে পড়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারির আগেই হবিগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয় চালু হবে। শহরের পুরাতন খোয়াই নদকে প্রকল্পের আওতায় এনে হবিগঞ্জ শহরকে নান্দনিক শহরে পরিণত করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বাপা জেলা শাখার সভাপতি মো. ইকরামুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিজেন ব্যানার্জি, বাপা জেলা শাখার সহসভাপতি মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল ও তাহমিনা বেগম গিনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মুমিন, তবারক আলী লস্কর, হাবিবুর রহমান খান, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুহুল হাসান শরীফ, বাপার কোষাধ্যক্ষ ও সাংবাদিক শোয়েব চৌধুরী, বাপা সদস্য বিজন বিহারী দাস, সাংবাদিক শাকিল চৌধুরী প্রমুখ।

খোয়াই নদ ও পুরাতন খোয়াই নদ নিয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল। এ সময় হবিগঞ্জের শিল্পবর্জ্যদূষণ নিয়ে বিষাক্ত জলধারা শিরোনামে তথ্যচিত্রের প্রদর্শনী করা হয়। ১৬ মিনিটের ওই তথ্যচিত্রে হবিগঞ্জের শিল্পবর্জ্যদূষণের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন