বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, মোরছালিনের বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে তাঁর দাদার বাড়ি। রোববার সকাল সাতটার দিকে বাবার সঙ্গে সে দাদাবাড়িতে যায়।

মোরছালিনকে দাদাবাড়িতে রেখে শিশুটির বাবা মাঠে জমি দেখতে যান। শিশুটি দাদাবাড়িতে খেলছিল। জমি দেখভালের পর সরিষা বাজার হয়ে সকাল আটটার দিকে নবাব বাড়িতে চলে আসেন। মোরছালিন দাদাবাড়ি থেকে বাড়িতে না ফেরায় নবাব তাঁর বাবার বাড়িতে যান। এ সময় নবাবের বাবা জানান, মোরছালিন বাড়ি যাওয়ার কথা বলে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চলে গেছে। এরপর বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজাখুঁজি করা হয়।

খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশী এক শিশু (৭) বলে, মোরছালিনকে ইউনুস মোল্লার বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে গেছেন।

মোটরসাইকেলটি সরিষা বাজারের দিকে গেছে। এরপর মাইকিং করাসহ আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে মোরছালিনের পরিবার। পরের দিন থানায় মামলা করা হয়। আজ সকালে বাড়ি থেকে প্রায় চার শ গজ দূরে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশুটির লাশ দেখতে পান পথচারী। খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সকাল ১০টার পর মোরছালিনের লাশ পাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত (বিকেল চারটা) ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কাউকে আটক করা হয়নি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন