বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদক সেবনের অভিযোগে গত বুধবার রাতে হাসাদহ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা চার যুবককে আটক করেন। পরবর্তী সময়ে ‘আর্থিক লেনদেনের’ মাধ্যমে তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি হয়।

এম ডি মতিয়ার রহমান নামের এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘হাসাদহ পুলিশ ক্যাম্পে শরিফুল, সজল, শফি ও রানাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর ছাড়িয়ে নেওয়ার নামে ২০ হাজার টাকা নিল কে?’ এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে যুবকদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা বৃহস্পতিবার রাতে ফেরত দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। সজলের ভাই সাগর বিষয়টি এক সাংবাদিকের কাছে স্বীকারও করেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে শুক্রবার রাতে এসআই রকি মণ্ডলের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসার পর হাসাদহ ফাঁড়ির ওই দুই কর্মকর্তাকে শুক্রবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
জেলার পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অপেশাদার আচরণের কারণে পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তাকে হাসাদহ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা আগে ফাঁড়িতে ডিউটি করতেন, এখন থেকে পুলিশ লাইনসে ডিউটি করবেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘কে কী লিখেছে, তা আমার জানা নেই। তবে যে অপেশাদার আচরণের কারণে তাঁদের প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন