বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এখানে একটি বড় ও দুটি ছোট শেডে মাছ বেচাকেনা ও প্রক্রিয়াজাত করা হয়। অবতরণের শেড না থাকায় বাজারে মাছ এনে রাখার জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে।
কেশবপুরের জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সজীব সাহা বলেন, উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মাছের ঘের আছে। এখানে বছরে ৩৩ হাজার ৯৯৯ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। মাছ বিক্রি হয় ৪০৭ কোটি ৯৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার।

মাছের ঘের ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বলেন, একসঙ্গে বাজারে মাছ এলে অনেক সময় গাড়িতে রেখে অপেক্ষা করতে হয়। তখন ঘেরমালিক ও মাছ বিক্রেতাদের দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। দেরিতে বিক্রি হলে মাছ পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল হান্নান বিশ্বাস বলেন, এ বাজারে এখন সব থেকে প্রয়োজন বড় একটি মৎস্য অবতরণকেন্দ্র। এর সঙ্গে দরকার মাছ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র। বাজারের পশ্চিম পাশের রাস্তাটি একেবারেই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাছ আনতে দারুণ সমস্যা হয়। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রাকে মাছ পাঠানোর জন্য প্রশস্ত সড়ক থাকা জরুরি।

বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, কেনার পর মাছ রাখা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে আলাদা শেড নির্মাণ জরুরি।

খুচরা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আতিয়ার রহমান বলেন, বাজারের কসাইখানার পাশে খাসজমি রয়েছে। সেখানে অবৈধ দখলদাররা রয়েছে। আপাতত এখানে একটি শেড নির্মিত হলেও সমস্যা কিছুটা নিরসন হতে পারে।

মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, দূরদূরান্ত থেকে আসা মাছের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মোটরসাইকেল, নছিমন, পিকআপ, ভ্যান রাখারও কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। বাজারে যাওয়ার রাস্তায় গাড়ি রাখতে হয়। এতে সারাক্ষণ যানজট লেগেই থাকে। মাছ এনে গাড়িতেই অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘক্ষণ।

কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজারে ঢোকার জন্য রাস্তা সিসি ঢালাই করে দেওয়া হয়েছে। তিনটি শেড নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের আরও একটি শেড দরকার। ওখানে জায়গাস্বল্পতা আছে। তারপরও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, পশ্চিম পাশের রাস্তাটিও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন