বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কালাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. শহিদ মিয়া। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হন।

তিনি পুনরায় সাধারণ সদস্য নির্বাচনে অংশ নিতে পাঁচ বছর ধরে ওয়ার্ডের জনগণের জন্য কাজ করছেন। গত ৮ ডিসেম্বর সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়ন ফরম পূরণ করার দিন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তাঁর ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা হয়েছে। অথচ ভোটার এলাকা পরিবর্তন করার জন্য তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কোনোরকম আবেদন করেননি। পরে তিনি ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঠিকানা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ১২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করা হয়। পরে এ নিয়ে ১৪ ডিসেম্বর ওই প্রার্থী আপিল করলে কর্তৃপক্ষ তা নামঞ্জুর করে।

বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সালমুন হাসান বলেন, শহিদ মিয়া তাঁর প্রার্থিতা আপিলের নামঞ্জুরের বিরুদ্ধে তিন মাসের স্থগিতাদেশ ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি চেয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশ ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ সদস্য পদে তাঁর প্রার্থিতা আজ রোববার বৈধ ঘোষণা করা হয়। তাঁকে প্রতীকও দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নিতে তাঁর আর কোনো বাধা রইল না।

শহিদ মিয়া বলেন, ‘আমি প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় খুবই আনন্দিত। তবে যাঁদের কারণে আমার এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুক্তার হোসেন বলেন, উচ্চ আদালতের আদেশে ওই ব্যক্তি প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি তাঁর ভোটার এলাকা পরিবর্তনের বিষয়টি সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন