বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফাতেমার নাতি সইবুল ইসলাম বলেন, ‘দাদি ঘুরতে ঘুরতে টাকা না পেয়ে আশা ছেড়ে দিয়ে শুধু কাঁদছিলেন। যেদিন পেপারোত (অনলাইনে) খবরটা ছাপাইছে সেই দিন মেম্বার বাড়িতে এসে বলেছিল, টাকাটা ফেরত দিবে। আজ দুপুরে মেম্বার নিজে বাড়িতে এসে দাদির হাতে ৯ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন। প্রায় তিন মাস পরে আজকে দাদির মুখে হাসি দেখলাম।’

ইউপি সদস্য আজিজুল হক বলেন, ‘আমার ছেলের উচিত ছিল টাকাটা আগেই ফেরত দেওয়া। ভুল যা হওয়ার হয়েছে। আজ টাকা ফেরত দিয়ে নিজেরও খুব ভালো লাগছে।’

প্রায় দুই বছর আগে ফাতেমার নামে বিধবা ভাতার কার্ড হয়। গত জুনে নগদ ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে তাঁর কাছ থেকে মুঠোফোন নম্বর নেন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা। গত আড়াই মাস আগে ফাতেমার বিধবা ভাতার ৯ হাজার টাকা পাঠানো হয় ওই ইউনিয়নের সদস্য আজিজুলের ছেলে রোস্তম আলীর মুঠোফোন নম্বরে।

দীর্ঘদিন টাকা না পেয়ে ফাতেমা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তাঁর ভাতার টাকা অন্য মুঠোফোন নম্বরে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে নম্বর নিয়ে ফাতেমা ওই নম্বর ব্যবহারকারীকে খুঁজতে থাকেন। পরে তিনি নিশ্চিত হন, মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করছেন ওই ইউপি সদস্যের ছেলে রোস্তম আলী। এরপর অনেক চেষ্টা করেও তিনি টাকা উদ্ধার করতে না পেরে শুধুই কাঁদছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন