default-image

গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের সোনালী ব্যাংক শাখার ক্যাশিয়ার ইমরান হাবিব করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ১ মে সন্ধ্যায় প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি ও একই শাখার নিরাপত্তাকর্মী করোনা শনাক্ত হয়েছিলেন। এরপর থেকে কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজারের একটি ভাড়া বাসায় তিনি সপরিবারে আইসোলেশনে ছিলেন।

৫ মে দ্বিতীয় দফা নমুনা দিয়ে তাঁর অফিসের কর্মচারীর করোনা নেগেটিভ হলেও তিনি আবারও পজিটিভ হয়েছিলেন। এরপর তিনি ১৫ মে তৃতীয় দফা নমুনা দেন। সেই নমুনার ফল আসে গতকাল সোমবার রাতে। পরীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলে করোনা নেগেটিভ আসায় ১ মাস ২২ দিন পর আজ মঙ্গলবার সকালে বাসা থেকে বের হন কমলগঞ্জ শাখা সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার ইমরান হাবিব। সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়াসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন তাঁকে। একই সঙ্গে তাঁকে করোনা নেগেটিভের রিপোর্ট দেন।
দীর্ঘ এ সময় বাসায় সপরিবারে আইসোলেশনে থেকে মনোবল হারিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন ইমরান।গত রোববার রাতে তাঁকে নিয়ে প্রথম আলো অনলাইনে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়েছিল।
গতকাল রাতে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মুঠোফোনে ইমরান হাবিবকে করোনা নেগেটিভ হওয়ার কথা জানান।
ইমরান হাবিব বলেন, টানা ১ মাস ২২ দিন আইসোলেশনে থেকে নমুনা পরীক্ষার ফল না পেয়ে বেশ হতাশ ছিলেন। গতকাল রাতে করোনা নেগেটিভের কথা জেনে স্বস্তি ফিরেছে। এখন আবার ব্যাংকে সবার সঙ্গে মিলে কাজ করবেন তাতেই মনটি আরও সতেজ হয়ে যাবে।
কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, ইমরানের তৃতীয় দফা নমুনা পরীক্ষার ফল পেতে বেশ বিলম্ব হয়েছে। আসলে মৌলভীবাজারের নমুনা পরীক্ষা করা হয় ঢাকায়। সেখানে সবচেয়ে বেশি নমুনা পরীক্ষা হয় বলে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন