বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আবদুল মজিদের সঞ্চালনায় সভায় ছাত্রসংগঠনের নেতারা সবাই রাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে একমত হন। এ সময় তাঁরা বলেন, রাকসু না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মতামতের কোনো প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে না। এখানে গণতান্ত্রিক মতামত এবং সংস্কৃতিচর্চার কোনো জায়গা নেই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত রাকসুর তহবিল বন্ধ রাখা, রাকসুর তহবিল অনৈতিকভাবে ব্যবহারের বিষয়ে প্রশাসনকে জবাবদিহি করা এবং বিজয়ের মাসেই তফসিল ঘোষণার দাবি জানান তাঁরা।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ৩০ বছর ধরে রাকসু নির্বাচন দেওয়া হয়নি। অথচ রাকসুর কোষাগারের টাকা ব্যয় করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাত দিনব্যাপী ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করেছিল। যেখানে রাকসুর কোষাগারের টাকা ব্যয় করতে হলে রাকসুর নির্বাহী কমিটির সভার মাধ্যমে তার অনুমোদন নিতে হয়, সেখানে ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন এখতিয়ারে রাকসুর কোষাগারের টাকা ব্যয় করে। এটা অবৈধ ও অনৈতিক।

সভায় রাকসুর সাবেক ভিপি রাগিব আহসান, রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, রাবি শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুদ্দিন চৌধুরী, রাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন, রাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক রিদম শাহরিয়ার, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর আহ্বায়ক রনজু হাসান, রাবি শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ খান, রাবি শাখা নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সভাপতি মেহেদী হাসান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

কর্মসূচির ব্যাপারে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আবদুল মজিদের বলেন, ‘আমরা সব সংগঠনের প্রতিনিধিরা রাকসু নির্বাচনের দাবিতে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাই। তবে নির্বাচনের দাবিতে আমরা অব্যাহত কর্মসূচিতে যাব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন