বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী কানু দাশ (৩২) ও মিন্টু দাশ (৩১) নামের দুই ব্যক্তি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের বাড়ি ভাটিয়ারি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁদের জন্ম নিবন্ধনে বয়স সংশোধনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা নেন নুরুল আবছার। তাঁরা ভাটিয়ারি ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও তাঁদের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ড ফতেয়াবাদের বাসিন্দা দেখিয়ে সেখান থেকে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করেন নুরুল আবছার। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে সীতাকুণ্ডে এসে ধরা পড়েন তাঁরা।

ভাটিয়ারি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাব্বির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, কানু ও মিন্টু দুজনের স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা তাঁর ওয়ার্ডে। নুরুল আবছার অবৈধভাবে তাঁর ইউনিয়নের অনেক বাসিন্দার কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে দিচ্ছেন। এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তিনি কেবল আবেদন করে দিতে পারবেন। সংশোধনের কাজ করবেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ও উপজেলা প্রশাসনের দপ্তর। এ রকম ৮ থেকে ১০টি সংশোধন করার কথা স্বীকার করে নুরুল আবছার বলেন, তিনি আর এ ধরনের কাজ করবেন না; তাঁকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে যে দুজনের জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করেছেন, তাঁদের একজনের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে দেখা গেলেও অন্যজনের তথ্য পায়নি প্রশাসন। অথচ তাঁকেও জন্মসনদ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ডের ইউএনও শাহাদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, নুরুল আবছার কোনো প্রতারক চক্রের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে কাজগুলো করছেন। তিনি আর করবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন। মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন