বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অতিথিরা অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই দানবীর। আমরা বর্ডারে কাউকে মারি না। মাঝেমধ্যে প্রতিবেশী দেশের হাতে এক-দুজন মারা গেলে মিডিয়া আমাদের জান শেষ করে দেয়। কেউ মরলে মিডিয়ায় চিৎকার শুরু হয়। বাংলাদেশ-ভারত নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বর্ডারে একটি লোকও মরবে না।’ মিয়ানমার সীমান্ত ঝামেলাপূর্ণ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার বর্ডারে গুলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও ভালো বলতে পারবে। এই বর্ডার খুবই ডিফিকাল্ট।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে এক দিনের সফরে আজ সকালে সিলেট পৌঁছান। ভারত সরকারের অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে নগরীর কুমারপাড়ায় লালদিঘিরপার রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন। এরপর দুপুরে সিলেট জেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে সংস্কৃতিচর্চার উন্নয়নসংক্রান্ত এক সভায় যোগ দেন।

এ ছাড়া নগরীর কালাপাথর মাঠের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, খাদিমপাড়ায় হোম ইনডোর স্টেডিয়াম উদ্বোধন, আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে কাউন্সিলর আজাদ বাংলাদেশ ওপেন ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা পরিদর্শন করার কথা আছে মন্ত্রীর। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ রাতেই ঢাকায় ফিরে যাবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন