বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববারের দুর্ঘটনাস্থল ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা গেল, রেলওয়ের নিরাপত্তাকর্মী মো. রেজাউল বারবার বাঁশি ফুঁকে লোকজনকে ট্রেন আসছে বলে সতর্ক করছেন। বেলা তখন ১১টা ৪০ মিনিট। তাঁর সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের একজন কনস্টেবল যানবাহনের জটলা থেকে গাড়িগুলোকে সরিয়ে রেলপথ ফাঁকা করার কাজে ব্যস্ত। এরই মধ্যে ক্রসিংয়ের প্রতিবন্ধক দুটি নামানো ছাড়াই ১১টা ৪৭ মিনিটে একটি ট্রেন ওই স্থান অতিক্রম করে।

সর্বশেষ দুর্ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ট্রেন আসার আগে ক্রসিংয়ের গেট না নামানো ও ট্রেনের দ্রুতগতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, প্রতিদিন এ রেললাইনের দুই পাশের ফুটপাতে অবৈধভাবে ফল ও তরকারিসহ নিত্যপণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। অন্যদিকে রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দোকানগুলো থেকে কেনাকাটা সারেন লোকজন।

১ নম্বর রেলগেট এলাকার নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কে দ্বিগুবাবুর বাজার। ব্যস্ততম এ সড়কটি দখল করে মালামাল ওঠানো-নামানো ও ফুটপাত দখলের কারণে সব সময় যানজট লেগে থাকে। এ ছাড়া এর কাছাকাছি নারায়ণগঞ্জ কলেজ ও নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুলের অবস্থান। রেললাইনের দুই পাশ ও পাশের ফুটপাতে অবৈধ দোকানপাট থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হয়।

রেলওয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোকলেছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বাস-ট্রেন সংঘর্ষের ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হলেও আবারও তাঁরা বসে পড়েন।

নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

প্রতিনিধি, ঢাকা মেডিকেল জানান, নারায়ণগঞ্জে বাস–ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪। রোববার দুর্ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হওয়ার পর গতকাল সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেজবাহ উদ্দিন (৬৫) নামে এক ব্যক্তি মারা যান। রোববার রাতে সাব্বির নামে এক শিশু মারা যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন