মুসলিমার বোন রাফেজা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, মুসলিমার সংসারে অভাব–অনটন লেগে ছিল। তামাকের মৌসুমে তিনি স্থানীয় একটি কোম্পানিতে তামাক বাছাইয়ের কাজ করতেন। অন্য সময় মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। করোনার পর তাঁর আর্থিক কষ্ট বেড়ে যায়। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশচুম্বী। সব মিলিয়ে তিনি চরম দুর্ভোগে দিন যাপন করছিলেন।

সদর থানার ওসি শাহ দারা খান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন