বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই ব্যবসায়ী বলেন, এমনিতে দুপুরের খাবারের সময় দোকান বন্ধ করতে হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত দোকানে ঢুকলে একটা না একটা খুঁত বের হবেই। তাই বিকেলে একটু দেরিতে তাঁরা দোকান খুলেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, নিয়ম মেনে ব্যবসা করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে ভয় পাওয়ার কথা নয়।

ধানগড়া বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোত্তাকিন তালুকদার বলেন, একজন ব্যবসায়ীর কথা শুনে অনেকেই দোকান বন্ধ করেছিলেন। তবে তিনি সারা দিনই দোকানে ছিলেন। সবাই শুধু শুনেছেন, কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেখা মেলেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৃপ্তি কণা মণ্ডল বিকেল চারটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, এ ধরনের কোনো বিষয় তাঁর জানা নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন