বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার সকালে প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য (ভিসি) আবদুল লতিফ। তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষক ফারহানা বিভাগের চেয়ারম্যান, সহকারী প্রক্টর ও সিন্ডিকেট সদস্যপদ থেকে লিখিতভাবে পদত্যাগ করেছেন। তিনি আরও জানান, চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেলকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হবে।

গত রোববার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিচিতি বিষয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন ফারহানা ইয়াসমিন। চুল কেটে দেওয়ার অপমান সহ্য করতে না পেরে গত সোমবার রাতে নাজমুল হাসান নামের এক ছাত্র অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও সব পরীক্ষা বর্জন করে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় তাঁরা ফারহানা ইয়াসমিনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানান। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা দুপুরে ফারহানাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারসহ দুই দফা দাবিসংবলিত একটি লিখিত স্মারকলিপি দেন।

ছাত্রদের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ফারহানা ইয়াসমিন। তাঁর দাবি, পরীক্ষা পেছানোর দাবি মেনে না নেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন