বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেশী মোশাররফ হোসেন জানান, ওই গ্রামের এক বালু ব্যবসায়ী ভৈরব নদ খননের বালু স্তূপ করে রেখে সেখান থেকে অন্যত্র বালু বিক্রি করতেন। ওই স্তূপের মাঝের একটি অংশের গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। আজ দুপুরে আশা ও একই গ্রামের আরও দুই শিশু বালুর স্তূপের পাশে খেলছিল। একপর্যায়ে আশা পানিতে ডুবে যায়।

এ সময় অন্য দুই শিশু বাড়িতে এসে খবর দিলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গর্তের পানি থেকে ভাসমান অবস্থায় আশাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মুক্তাদির হক বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

শিশুটির বাবা মানিক শেখ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যখন এখানে বালু ব্যবসা শুরু করা হয়, তখনই আমরা এর বিরোধিতা করেছিলাম। এখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ওই বালু ব্যবসায়ী আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু আমার মেয়েই আজ সেই গর্তে ডুবে মারা গেল। কে আমার মেয়ের মৃত্যুর দায় নেবে?’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন