বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কারখানার মালিকেরা বলেন, উপজেলার নওয়াপাড়া পীরবাড়ি এলাকায় শতাধিক ‍কুটিরশিল্প কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় কাঠ দিয়ে পিঁড়ি, বেলন, কাঠের চামচ, রিহাল, হামান-দিস্তাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করা হয়। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে প্রথমে কামাল হোসেনের কারখানায় আগুন দেখা যায়। এলাকাবাসী নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসার আগেই দ্রুতগতিতে আগুন আশপাশের কারখানাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার করার পর রাত তিনটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আমার একমাত্র সম্বল কারখানাটি পুড়ে গেছে। আমার সব শেষ হয়ে গেল।
বিকাশ দাস, ক্ষতিগ্রস্ত কারখানামালিক

ক্ষতিগ্রস্ত শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নওয়াপাড়া পীরবাড়ি এলাকায় আমার আটটি কুটিরশিল্পের কারখানা রয়েছে। গত সপ্তাহে ১০ লাখ টাকা দিয়ে আমি দুটি মেশিন কিনেছিলাম। কারখানায় তৈরি করা অনেক মালামাল ছিল। আগুনে আমার সব পুড়ে গেছে।’ ক্ষতিগ্রস্ত বিকাশ দাস বলেন, ‘আমার একমাত্র সম্বল কারখানাটি পুড়ে গেছে। আমার সব শেষ হয়ে গেল।’

নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা টিটব শিকদার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে আগুন লাগার অনেক পরে আমাদের খবর দেওয়ার কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন