বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাগেরহাট শহরের আরেকটি অনবদ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বড় আদিনা মসজিদ। বাগেরহাট শহরের সোনাতলা এলাকার ধ্বংসপ্রাপ্ত এই মসজিদের ঢিবি থেকে চুরি হয়ে গেছে ইট ও পাথর। সেখানে গড়ে উঠেছে বসতবাড়ি।

লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে থাকা মসজিদের শহর বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে তাই এখনই কার্যকর পদক্ষেণ গ্রহণ জরুরি। এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অনেকে কেবল ষাটগম্বুজ মসজিদকেই বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে জানেন। প্রকৃতপক্ষে ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট হিসেবে ইউনেসকো খানজাহান আমলে নির্মিত মসজিদসহ পুরো শহরকেই ১৯৮৩ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

২০২২ সালের বিশ্ব ঐতিহ্য দিবসের থিম ‘ঐতিহ্য এবং জলবায়ু। তবে দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ব ঐতিহ্যের শহর বাগেরহাটে এদিন নেই কোনো আয়োজন।

বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আহাদ উদ্দিন হায়দার বলেন, ‘আমরা বাগেরহাটবাসী নিজেরাও আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে সেভাবে তুলে ধরতে পারিনি। একই সঙ্গে সরকারি–বেসরকারিভাবেও এই জায়গায় কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। তবে সবার আগে দরকার আমাদের ঐতিহ্যগুলোকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা। আমাদের অনেকগুলো ঐতিহাসিক মসজিদ ও স্থাপনা এখন ঝুঁকিতে। মসজিদের পাশের কোনো জায়গা নেই।’

গত ২২ মার্চ বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, ‘কিছুতেই এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে হাইওয়ে অন্যদিক দিয়ে যাবে।’

বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টডিয়ান মোহাম্মদ জায়েদ বলেন, ‘বাগেরহাটের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো নিয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের জরিপ হয়েছে। এই জরিপে শতাধিক নতুন স্থান নির্বাচন করেছি। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে। সে ক্ষেত্রে ওই জায়গাগুলো অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে। জমি বুঝে পেলে এসব নির্দশন সংরক্ষণ করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন