বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তির নাম শামীম মুনসি (৪৫)। তিনি নগরের আলেকান্দা কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবদুল জলিল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। জলিল বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার কাদের হাওলাদারের ছেলে এবং নগরের সিঅ্যান্ডবি রোডের থানা কাউন্সিল–সংলগ্ন মিয়া বাড়ির পুল এলাকার বাসিন্দা।

জলিল নামের ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেল থামিয়ে সাহায্যের জন্য টাকা চান। এ সময় শামীম পকেট থেকে টাকা বের করতে গেলে হঠাৎ পেটের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন জলিল।

আহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. নুরুজ্জামান বলেন, সকালে তাঁর ছোট ভাই শামীম বাসা থেকে মোটরসাইকেলে করে ব্যবসায়িক কাজে বের হন। পুলিশ লাইনস এলাকায় পৌঁছালে জলিল নামের ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেল থামিয়ে সাহায্যের জন্য টাকা চান। এ সময় শামীম পকেট থেকে টাকা বের করতে গেলে হঠাৎ পেটের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন জলিল। এতে শামীম মোটরসাইকেল থেকে পড়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। তাঁর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে শামীমকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

default-image

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. লোকমান হোসেন বলেন, শামীম শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।

পরিদর্শক লোকমান হোসেন আরও জানান, অভিযুক্ত জলিলের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, তাঁর মানসিক কোনো সমস্যা রয়েছে। তিনি নিজেকে ‘মেজর জলিল’ বলেও পরিচয় দিচ্ছেন। তারপরও তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিমুল করিম বলেন, ভবঘুরে ধরনের চল্লিশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন কথা বলছেন। তবে এ ঘটনায় মামলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন